গুরু হি কৃপায় কেবলম্। গুরুদেবের কৃপায় আমার মতো কলকাতার এক সাধারণ মাছেভাতে মধ্যবিত্ত বঙ্গ সন্তানের ভাগ্যে নিউইয়র্কের T20 বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলার স্টেডিয়ামে যাবার ও অন্তত একটা খেলা দেখার সুযোগ হয়েছিল। ঘটনাটা খোলসা করে লিখি।
(১)
২০২৪ সালে আমেরিকা যাত্রাটা কিছুটা তাড়াতাড়ি করতে হয়েছিল।সাধারণত দু’বছর অন্তর জুলাই আগস্ট মাসে যাই । আমাদের বড় ও মেজ দুই পুত্রের বাস সে দেশে।এই সময়টা আমেরিকার আবহাওয়া বেড়ানোর পক্ষে অনুকূল। এবার প্রোগ্রাম এগিয়ে দিতে হলো পয়লা জুন থেকে। আমাদের পূজনীয় গুরুদেব কয়েকদিন থাকবেন ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত নিউইয়র্কের কুইনস ভিলেজের জ্যামাইকা স্ট্রিটের উপর অবস্থিত শ্রীনিম্বার্ক রাধাগোবিন্দ মন্দির আশ্রমে।২০২২ সালে জুলাই মাসের প্রতিষ্ঠা দিবসে উপস্থিত ছিলাম সবাই। জে-এফ-কে এয়ারপোর্ট লাগোয়া হিলটন হোটেলে ছিলাম দুই রাত্রি। তারপর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে চলে যাই আপস্টেট নিউইয়র্কের কর্নিং শহরে আমাদের বড়পুত্রের নিবাসে।
এবার গুরুদেবের ইচ্ছে আমরা অন্তত তিন দিন থাকি। ভক্তরা যেমন ঈশ্বরকে চায়, ঈশ্বরও চান ভক্তদের। সেখানে উনি থাকবেন ৭ই জুন অব্দি। আমাদের প্রোগাম ঠিক হলো পাঁচ দিনের, স্ত্রীর ইচ্ছে গুরুদেব ওখানে অবস্থান অব্দি সেও থাকবে গুরুদেবের সান্নিধ্যে। স্ত্রী ইচ্ছায় কর্ম। তবে এও মানি ঈশ্বর সান্নিধ্যে পুণ্য অর্জন হয় (বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর)। পূজনীয় গুরুদেব আশ্রমের পৌঁছবেন ৩০সে মে। ১ই জুন দেশের সংসদের ভোট দিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার সান্ধ্যকালীন ফ্লাইটে রওনা হলাম কলকাতা থেকে দিল্লি, দিল্লি থেকে সোজা নিউইয়র্ক জে-এফ-কে এয়ারপোর্ট (প্রায় পনের ঘণ্টার ফ্লাইট টাইম), পৌঁছলাম ওখানকার ২ই জুন তারিখে স্থানীয় সময় সকাল আটটা নাগাদ। আর কর্নিংএ যাবো ৭ই জুন। এবার আর হোটেলে নয়, ভাড়া নেওয়া হয়েছে আশ্রমের কাছেই কুইনসে একটা ‘এয়ার বিএনবি’ র অ্যাপার্টমেন্টে।
এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট পূর্ব নির্ধারিত সময়েই নিউইয়র্কের মাটি ছুলো। হুইল চেয়ার সার্ভিস নেওয়ায় ইমিগ্রেশন, লাগেজ, কাস্টম ইত্যাদি খুবই তাড়াতাড়ি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলো। বাইরে বেরিয়ে দেখি মেজপুত্র পরিবার সহ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।ওরা সাত সকালে ফ্লোরিডার ‘বোকা রাটন’ শহর থেকে পৌঁছে গেছে জে-এফ-কে এয়ারপোর্টের ডোমেস্টিক টার্মিনালে(প্রায় আড়াই ঘণ্টার ফ্লাইট টাইম)। তারপর
সেখান থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য বরাদ্দ ইন্টারন্যাশনাল টার্মিনালে। ব্যাপারটা হাঁটা দূরত্বে নয়; এয়ারপোর্টের ইন্টার টার্মিনালের ট্রেনে কিংবা বাস সার্ভিসে আসতে হয়।
আমরা প্রথমে হিলটন হোটেলে উঠলাম। ইতিমধ্যে বড়পুত্র কর্নিং থেকে একাই ড্রাইভ করে এলো, মেয়েদের ইস্কুল থাকায় ওরা আসতে পারেনি। ‘এয়ার বিএনবি’ র অ্যাপার্টমেন্টের চেক-ইন সময় বিকেল তিনটে। হোটেলে স্নানটান সেরে তৈরি হয়ে সেখান থেকে চেক-আউট করে গেলাম আশ্রমে। হাতে অনেকটা সময়। গুরুদেবের সাথে সাক্ষাতের পর দুপুরের প্রসাদ (অন্ন ও কয়েকটি সুস্বাদু নিরামিষ পদের লাঞ্চ) খেয়ে অ্যাপার্টমেন্টে গেলাম। সেখানে চেক-ইন করে বিশ্রাম। তারপর সন্ধ্যেবেলায় আবার আশ্রমে।
(২)
নিউইয়র্ক শহরের এই অঞ্চলগুলো মধ্যবিত্ত পরিবারের বসবাস এবং একটা বড় অংশ ওয়েস্ট ইন্ডিযান ও দক্ষিণ এশীয়।পার্কগুলিতে ছেলে মেয়েদের সকার(আমরা যাকে ফুটবল বলি), ক্রিকেট ও বাস্কেটবল খেলতে দেখেছি,তুলনায় বেসবল কম। প্রথম দুটি খেলা ইদানিং আমেরিকায় ক্রমাগত জনপ্রিয় হচ্ছে। ক্রিকেটপ্রেমী অভিবাসীদের এই অঞ্চলে আধিক্য থাকায় আইসিসি’ এবং ইউ-এস-এ এর ক্রিকেট সংস্থা এখানকার একটা স্টেডিয়ামে T20 ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম দিকের ৮টা খেলার ব্যবস্থা করেছিল।প্রথমে ঠিক করেছিল নিউইয়র্ক শহরের Bronx county র Van Cortlandt পার্কে একটা অস্থায়ী স্টেডিয়াম তৈরি করে খেলাগুলি অনুষ্ঠিত হবে।কিন্তু বেঁকে বসল ওখানকার বাসিন্দাদের একটি গোষ্ঠী । বলল, প্রচুর দর্শকের সমাগমে সম্ভাব্য পরিবেশ দূষণ আর স্থানীয় বাসিন্দাদের পার্কে যাতায়াতের এবং গাড়ি চলাচলের অসুবিধে।খেলার সূচি শেষ হলে পার্কের অস্থায়ী কাঠামো সরিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে দেবে কথা দেওয়া সত্বেও কর্তৃপক্ষের আবেদন ধোপে টিকলো না। অগত্যা খোঁজাখুঁজি শুরু হলো বিকল্প মাঠের। অবশেষে বিকল্প মাঠ হিসেবে ঠিক হলো নিউইয়র্কের Long Island এর Nassau County তে অবস্থিত East Meadow অঞ্চলের Eisenhower পার্কে অস্থায়ী স্টেডিয়াম তৈরি করে T20 বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উৎসবের শুরু হবে। ৮টি খেলা হবে এখানে, খেলবে ইন্ডিয়া, পাকিস্থান শ্রীলঙ্কা, সাউথ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, Ireland, কানাডা ও ইউএসএ। আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আর্কিটেক্টদের ( যারা আমেদাবাদের বিখ্যাত নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের প্ল্যানিং এর সাথেও যুক্ত ছিল) প্ল্যান মাফিক তৈরি হলো আন্তর্জাতিক মানের অস্থায়ী অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম, দেখতে জ্যামেতিক ওভাল আকৃতির মতো , সাকুল্যে ৩৪ হাজার বিভিন্ন শ্রেণীর(ভিআইপি, আধা ভিআইপি, সাধারণ ইত্যাদি) দর্শকের বসার সংকুলান। তিন মাসের মধ্যে তৈরি শেষ। ব্যবস্থাপনার ত্রুটি নেই আয়োজকদের। খেলার সূচি শেষ হবার সাথে সাথে ১০৬ দিনে
পুরোটা ভেঙে ফেলে জায়গাটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে পার্কটা স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যবহারের জন্য ফেরত দেবার কথা, সম্ভবত একটা স্মৃতি চিহ্ন রেখে।
(৩)
আমরা যখন নিউইয়র্কে, তখন সবে স্টেডিয়ামের উদ্বোধন হয়ে খেলা শুরু হয়েছে। বড় পুত্র ঠিক করেছিল অন্তত একটা খেলা দেখবেই। ৩ই জুন শ্রীলঙ্কা বনাম সাউথ আফ্রিকার খেলা দেখার ইচ্ছে থাকলেও হবে না আশ্রমের বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য, তাছাড়া বিকেলে মেজোপুত্র স্ত্রী সহ ফিরে যাবে। ওদের এয়ারপোর্টে পৌঁছতে যেতে হবে। ৭ই জুন কর্নিংএ চলে যেতেই হবে,কাজেই ৮ তারিখে ইন্ডিয়া পাকিস্থানের খেলা দেখা হবে না।বাকি রইল ৫ই জুন ইন্ডিয়া বনাম Ireland এর খেলা। প্রতি টিকিটের দাম ২৫০ ডলার শুনে আমার ভিমড়ি খাবার মত অবস্থা।পুত্র যাবেই আর আমাকে সঙ্গে নেবেই।অনেক অজুহাত স্বত্তেও ভবি ভুলবার নয়। যদিও জানি মাঠে গিয়ে খেলা দেখার মধ্যে অন্য একটা মজা ও মেজাজ আছে। ষাট ও সত্তর দশকে আমিও কলকাতার ইডেন গার্ডেন মাঠে বেশ কিছু টেস্ট ম্যাচ দেখেছি (সৌজন্যে আমার প্রিয় বন্ধু শ্রীমণ্টূ দের CAB membership এ); তবে পাঁচ দিন ধরে নয়, শেষ দু’দিন। সেযুগে কিছু দর্শককে দেখেছি ইন্ডিয়া জিতলে মাঠের পিচে গড়াগড়ি করতে। কাজেই মাঠে খেলা দেখার উত্তেজনা ও আনন্দের সাথে আমি পরিচিত। ৫ই জুন খেলা একপেশে হবে আন্দাজ করেছিলাম,তবুও ক্রিকেট বলে কথা তার উপর T20 ম্যাচ, অঘটনও ঘটতে পারে। ৪ই জুন পুত্রের সাথে গেলাম মাঠ দেখতে ও টিকিটের সন্ধানে। এখান থেকে ৩০মাইল দূরত্বে, গাড়িতে লাগবে আধ ঘণ্টার কাছাকাছি। গিয়ে দেখি জনশূন্য, কোনো অফিস টফিসের বালাই নেই। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ফিরে এলাম।পরেরদিন দশটায় খেলা, তৈরি হয়ে বেরোতে প্রায় সোয়া ন’টা বেজে গেল। দশটার একটু আগে পৌঁছলাম মাঠের চৌহদ্দিতে। গাড়ি পার্ক করে প্রবেশের প্রথম গেটেই মহিলা চেকার আটকে দিল, টিকিট নেই।টিকিট অনলাইনে কাটতে হবে। এখন দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সবকিছুই বাড়িতে বসে অনলাইনে হয়। বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে কাজের ধারা প্রায় প্রত্যেক দিন পাল্টে যাচ্ছে।বয়স হলেও শিখতে হবে নইলে পিছিয়ে পরতে হবে।
ওখানেই দাঁড়িয়ে অনলাইনে টিকিট কাটা হল, এখন দাম মাথাপিছু ৫০ডলার। তাড়াতাড়ি যেতে হবে, মোবাইলে দেখি খেলা শুরু হবে, Ireland ব্যাট করবে প্রথমে। গেট থেকে স্টেডিয়াম বেশ দূরত্বে, হাঁটলে প্রায় পনের মিনিট লাগবে। আমরা পৌঁছনোর আগে ওদের ইনিংস শেষ না হয়ে যায়। দর্শকদের মাঠে পৌঁছনোর জন্য ভ্রাম্যমান বাসে চেপে স্টেডিয়ামের সামনে পৌঁছলাম। এরপর কিছুটা পথ হাঁটার। বাস থেকে নেমে পুত্র প্রায় টানতে টানতে নিয়ে সোজা সামনের স্টেডিয়ামের উঠার সিঁড়িতে। কুড়ি পঁচিশ খানেক সিঁড়ি ভেঙে হাঁপাতে হাঁপাতে উপরের দিকের মাঝামাঝি
বেঞ্চে বসার জায়গা পেলাম। দর্শক পরিপূর্ণ গ্যারারি, যতদুর চোখ যায় মহিলা পুরুষ ছেলে মেয়ে সবাই ভারতীয় জার্সি গায়ে। মাঠে প্রচণ্ড উত্তেজনা, চিৎকার, চেঁচামেচি, হাততালি।কোথায় গেল আমার ক্লান্তি, ভিড়ের ভয়, নিজেকে মনে হচ্ছে সেই সত্তর সালের বাইশ বছরের যুবক!!
ওদের পরপর উইকেট পরছে। মাঠ থেকে এতদূরে উপরের সীটে বসায় খেলোয়ারদের মনে হচ্ছে লিলিপুট(অন্তত আমার চোখে)। শুধু ব্যাটসম্যান, ফিল্ডার আর বোলারের মুভমেন্ট দেখতে পাচ্ছি।আমাদের দিকে বল এলে বোঝা যায় একটা কিছু হলো আর আম্পায়ারের আঙুল তোলা ও হাত ঘোরানো দেখে বুঝতে হয় ব্যাটসম্যান আউট হয়েছে বা চার কিংবা ছয় মেরেছে। পিছনে একটা পেল্লাই বড় টিভি স্ক্রিন আছে আর আমাদের উল্টোদিকের গ্যালারিতেও রয়েছে আরো একটা ।মাঝে মাঝে স্ক্রিনেও দেখে নিচ্ছি। যাইহোক মাঠে পৌঁছবার কিছুক্ষণের পরে Ireland এর ইনিংস সমাপ্তি হলো ৯৬ রানে। ইন্ডিয়া মাঠে নেমে প্রায় চল্লিশ মিনিটে প্রতিদ্বন্দ্বীর ৯৬ রান তুলে দিল। ইন্ডিয়ার ৮ উইকেটে জয়লাভ। রোহিত ৫১ রানে ও ঋষভ পন্থ ৩৬ রানে অপরাজিত। গ্যারারিতে সে কী উল্লাস! কয়েকজন ভারতীয় যুবক যুবতীকে দেখলাম vaping (আমেরিকায় চালু সিগারেট smoking এর বিকল্প হিসেবে) নিয়ে ধোঁয়া ছাড়ছে।
স্টেডিয়ামের বাইরে বেশ কয়েকটা খাবারের, T20 লোগো ও বিভিন্ন দেশের লোগো লাগানো টুপি গেঞ্জি ইত্যাদি স্যুভেনির স্টল। দাম চড়া তবুও বিক্রি ভালই হচ্ছে। পুত্রও কয়েকটা কিনল। বাইরে দেখি কয়েকজন আইরিশ সাপোর্টার ওদের দেশের জার্সি গায়ে বেরোচ্ছে। সংখ্যায় ভারতীয়দের থেকে অতি অল্প। দু এক জন আমার মতো বয়স্ক লোকদের দেখে খুশি হলাম। ছেলে বা জামাইয়ের হাত ধরে হাঁটছে। যাইহোক কিছুক্ষণ ওখানে কাটিয়ে হাঁটতে হাঁটতে গাড়ি পার্কিং এর জায়গায় ফিরে এলাম। সেখানে কয়েকজন ভারতীয় যুবক ওদের গাড়ির পিছনের ডালা খুলে থরে থরে সাজানো লোগো দেওয়া টুপি , গেঞ্জি ইত্যাদি বিক্রি করছে, দাম অনেক কম। যে টুপির ওখানে দাম নিয়েছিল দশ ডলার এখানে সেটার দাম দুই ডলার।ছেলেগুলি গুজরাতি, ভিতরে ও বাইরে দু’জায়গাতেই ব্যবসা করছে।একেই বলে ব্যবসায়ী জাত! খেলাটা একপেশে হয়েছে যেমন আন্দাজ করা হয়েছিল, তবুওতো নিউইয়র্কের স্টেডিয়ামে T20 বিশ্বকাপ ক্রিকেটের খেলা দেখা। সৌভাগ্যবান বইকি!
(৫)
অবশেষে ৭ই জুন এগারোটায় গেষ্ট হাউস থেকে চেক-আউট করে আশ্রমে মন্দিরের দেবদেবীকে ও গুরুদেবকে প্রণাম করে রওনা হলাম আপস্টেট নিউইয়র্কের বড়পুত্রের বাড়ির পথে, ম্যানহাটনের ট্রাফিক জ্যাম নাহলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার ড্রাইভিং, ২৫০ মাইল পথ। দুপুর আড়াইটায় আশ্রম থেকে বের হয়ে বাড়ি পৌঁছলাম
রাত দশটা নাগাদ ম্যানহাটনে ঘন্টা দু’য়েক কাটিয়ে ( ট্রাফিক জ্যামে আটকে নয়, ঘোরাঘুরি করে। গুরুদেবের কৃপায় গাড়ি পার্কিং এর জায়গা মিলেছিল যা সাধারণত সেখানে পাওয়া খুবই দুরূহ ব্যাপার]।
তথ্যসূত্র : স্টেডিয়াম সংক্রান্ত তথ্য গুগল উইকিপিডিয়া।
২৫/০৯/২০২৪ ………….















Excellent, Jiban EE 1968. A praiseworthy, nice flow in writing.
Comment by Debabrata Chaudhuri — August 27, 2025 @ 10:27 pm
Good description. Reminded me of my recent experience of a cricket match i Oakland Coliseumberween the San Francisco team and a team from Miami. Enjoyed it much, but missed the fervor of a Test Match in Eden Gardens from 60 years back. And like for Jiban, most of the spectators were Indian, though the stadium was not as full as in his case.
Comment by Partha Sircar — August 28, 2025 @ 10:50 pm
বাঃ, খুব ভাল লাগল। খুব প্রাঞ্জল লেখা। মনে হল আমি যেন নিজেই খেলা দেখছি।
Comment by Prabir Kumar Sengupta — August 29, 2025 @ 10:40 pm