Agentic-মা
আবার মা আসছে । তিথি-নক্ষত্র-দিন মেনে মা ঠিক বছরে একবার বাপের বাড়ীতে ছেলে-মেয়ে নিয়ে আসে । No excuse what-so-ever । মর্ত্যের সন্তানেরা, তাদের সন্তানের excuse দিয়েই হোক বা আরও কত কি কারণে বাপের বাড়ীতে যেতে পারে না – busy মানুষ আমরা ! মা হয়তো আমাদের মতো digital-savvy নয়, হলে হয়তো আমাদের মতো virtually, On-বা-Off camera meet করে নিত বাপের বাড়ির লোকেদের সাথে।
তা মা এসো, আর সেই সুযোগে তোমাকে দুটো মনের কথাও জানাই । পুরো নন-digital way-তে, without any help from ChatGPT – হাতে লিখে মনের কথা মা। এর ভাষা শুনে আমাকে অভদ্র ইতর মনে হলেও ‘ভাবনাও কো সামঝো’ মা । মা তো সন্তানের ভালো বন্ধুও, তাই ভাষা বা ভদ্রতা-’র delta ত্রুটি থাকলে তুমি ভাবনা টুকুই নিও please !
মনের কথা জানাতে চাইলেও কোথা থেকে শুরু করবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। চারপাশে যা সব হচ্ছে বা দেখছি-শুনছি-বুঝছি তাতে এক কথায় ঘেঁটে আছি মা। তাই পারলে তুমি এই ঘাঁটা সন্তানের জট খুলো। দুনিয়া হাবে-ভাবে-কেতায় বলছে বটে – boss, আঁতলামি না করে chill করো, রঙিন দুনিয়া – রঙিন বোতলে পুরে out হয়ে যাও। ভুলে যাও দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্ৰণা । পৃথিবীর … মারো, নিজেকে নিয়ে বাঁচো। সত্যিকারের অভাব-জ্বালা-যন্ত্রণা বা সংসারে অশান্তি যখন নেই, non-issue কে issue করে কি লাভ ! কিন্তু স্বপ্নের জগতে বেঁচেই বা কি লাভ …. নেশা তো কাটবেই, ঘুম তো ভাঙবেই। শূন্যতা এ বুকে তো মোচড় দেবেই! শুধু ‘আমি’, ‘আমি’ করলে একটু-আধটু ক্ষণিক সুখ নয় পাওয়া গেল কিন্তু শান্তি কোথায়! না ভাবলে এক কথা কিন্তু কিছু করতে পারি ছাই নাই পারি, ভাবনাও তো স্বাভাবিক । বয়সও যথেষ্ট হয়েছে, আর সেখান থেকেই এই তাড়না!
ছোটবেলা থেকেই মনে হতো দুনিয়া ক্রমশ উন্নতি করছে – কোনো দেশ বেশী বা কেউ বেশী আর কেউ কম কিন্তু overall মানুষ ক্রমশ এগিয়েই চলেছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান-শিল্প সব ক্ষেত্রে – এক কথায় ‘সভ্যতার অগ্রগতি’ যেন, সময়-এর মতো, শুধু এগিয়েই চলে । কিন্তু এ … কেমন সভ্যতা আর কেমনই বা অগ্রগতি। এই ২০২৫-এ এসে দেশে-দেশে যুদ্ধের খবর বা অনেক দেশের মধ্যেই চূড়ান্ত অশান্তির খবর ক্রিকেট ম্যাচের মতো frequent ব্যাপার হয়ে গেছে । পৃথিবীর সব থেকে ক্ষমতাশালী দেশ যেন সব থেকে বেশি ঠাপাতে ব্যস্ত। আপাত দৃষ্টিতে গণতান্ত্রিক দেশে স্বৈরাচারী মানসিকতা দিনে দিনে যেন বেশি চোখে পড়ছে। ছোটবেলায় জানতাম পাড়ার মাস্তানদের লোকজন এড়িয়ে চলে, ঘৃণা করে। কিন্তু এখন তো মাস্তান-রাই নেতা – দেশের, দশের, সমাজের । তাদের sound-bites নিচ্ছে মিডিয়া, sophisticated dress পরে তারা শালা বক্তব্য-ও রাখছে এবং exactly মাস্তান-মুখর মানসিকতা নিয়ে – যেন ভগবান ভুল করতে পারে কিন্তু তারা ভুল -No Way। ছোটবেলা জানতাম নিরপরাধ কেউ খুন হলে তার শাস্তি হয় চরম – হয় মৃত্যু না হয় যাবজ্জীবন জেল । কিন্তু এখন দেখছি Institution sponsored rape and murder হলে আসল দোষী-ই বের হয় না, শাস্তি তো দূর অস্ত – এ কেমন। …. advanced দুনিয়া! সারা দেশের কোটি কোটি মানুষ বুঝছে দোষী সাব্যস্ত ঠিক হয়নি – এদিকে power house-এর মুঠোয় বন্দি আদালত-এর জন্য বলতেই হবে – মহামান্য আদালত আপনি যা করেন ন্যায়-ই করেন – এ কেমন প্রহসন !
‘Sholey’ film-এ অনেকেই মনে করতো গব্বর সিং-এর character তাই movie-টার best character। আজকের সমাজে যেন মনে হয় অমন inhuman ভিলেন-রাই most prominent আধুনিক সভ্যতায় । যে যত দাপাতে পারে, ঠাপাতে পারে সে তত বড়ো নেতা। উদাহরণ হিসেবে দেশ-বিদেশের বা রাজ্যের নেতাদের দেখো । দেশ-রাজ্য ছেড়ে দেশের কোম্পানী গুলো বা জেলা বা পাড়া স্তরেই দেখো। অবশ্যই কিছু exception আছে কিন্তু অধিকাংশই বর্বরোচিত নায়ক বা নেতায় ভরা। আর যার যত ক্ষমতা, তার তত ঔদ্ধত্য,তার তত জোড় আর তাই তার তত ক্ষমতা – এক vicious loop । আর এরাই এখন role model অধিকাংশের ।
আমার ঘাঁটা চিন্তাকে আরো ঘাঁটা-তর করেছে latest tech-shock – Artificial Intelligence (AI)। minute
-এ minute-এ social বা digital media তে AI নিয়ে যা information explosion হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে যেন পৃথিবীর সব সমস্যার সমাধান-ই AI করে দেবে – আমাদের ঘাটে যাবার আগেই ।সে cancer বা যে কোনো মারণ
রোগের চিকিৎসা হোক, climate change হোক বা যেকোনো business problem হোক – সব সমস্যার সমাধান এই ঠাকুরমা’র ঝুলি-তে । তা এসব তো ভালো কথা কিন্তু মানুষকে বেশি বাঁচালেই কি দুনিয়া অগ্রগতি করবে যদি সে বাঁচে মানসিক দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রণা নিয়ে।আর যদি অধিকাংশ কাজ-কর্ম AI-ই করে দেয় তাহলে মানুষ কি শুধুই নদীতে মাছ ধরবে ! AI mostly hype কি reality সে নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও একথা সবাই স্বীকার করে যে এই AI haves আর have-nots এর দূরত্ব আরও বাড়াবে। আমি এখানে সাম্যের গান গাইতে চাই না আর আমার বয়স ও বোধ এতটাও হয়েছে বোঝার যে রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ বা যে কোনো যুগসংস্কারক এলেও দেশে-সমাজে বৈষম্য থাকবেই । ভালো-মন্দ থাকবেই, যেমন আলো-অন্ধকার নিয়েই সারাটা দিন কিন্তু দু-একটা মাস্ক বানিয়ে এ কিসের অগ্রগতি যেখানে কোটি-কোটি লোক থাকে মাস্কের আড়ালে।
তাই বলছি মা, আজকাল AI literacy-টা বড্ড জরুরী । লোকজন জেনে বা না-জেনে এই নিয়ে বড্ড ভাটায়। তা তোমায় ভাটাতে বলছি না, কিন্তু যেটা বলতে চাই সেটা হলো লোকজন mostly দেব-দেবীতে জেনু-ভক্তি করে না, হয়তো কোনো কালেই করতো না। যেটা করে সেটা either ভয়ে-ভক্তি or deal করে like প্রোমোশন পেলে মা তোমার পুজোর খরচ on me বা মেয়েটার একটা ভালো পাত্রের সাথে বিয়ে হয়ে গেলে তোমার মন্দিরটা বাঁধিয়ে দেব – এমন types। On the other hand মা,কোনো এমন পন্ডিত বলো বা লোক ঠকানো বাবা-মা-ই বলো, এমন কেউ practically নেই যে কোনো একটা ধর্মের সব ধর্মগ্রন্থ-বইপত্র পড়ে ফেলেছে বা গ্রন্থিতে ঢুকিয়ে ফেলেছে । কিন্তু এই AI-বাবুয়া, বুঝুক বা না-বুঝুক, প্রায় সব কিছু গাঁতিয়ে ফেলেছে। তাই জ্ঞানের সারমর্মের জন্য so-called বাবা-মা’র বিশেষ কোনো দরকার নেই। বলা যায় না, আগামী ৫-১০ বছরে দেব-দেবী’র AI version-এর পুজো না fashion হয়ে যায়। But আমি seriously চাই – আমার মা পুরোনো হলেও নতুন কোনো মা’র চাহিদা যেমন আমার নেই তেমন তোমারও কোনো বিকল্প নেই । তবে যা যুগ পরেছে তাতে সবাইকেই skill upgrade করতে হবে মা – না হলে যে ঝাপস হয়ে যেতে হবে। তাই বলছি মা,please একটু sriously শোনো, এটা তোমার জন্য খুব দরকার। তুমি জানো কি না জানি না মা,আজকাল agentic AI নিয়ে বিষম চর্চা হচ্ছে। এই বস্তুটি কি যদি এই নিয়ে delta ফুটো-ফান্ডা ফলাই তা অনেকটা এই রকম – এর নাকি তিনটে অংশ – ১) Large Language মডেল(LLM) যে মাথার কাজ করে, এই ধরো সব রকমের জটিল computation করে, ২) memory যা এর স্মৃতিতে থাকে, নিজেকে ক্রমশ উন্নতি করার জন্য বা অতীতের ভুল শুধরোবার জন্য আর শেষ অংশ হলো ৩) অনেক tools বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার যা দিয়ে বিভিন্ন কাজের মধ্যে সমন্বয় বা integration করে মানুষের উদ্দেশ্য সাধন করা। মা, তুমিও কি agentic হতে পারো না! তোমায় তো ধরা হয় তুমি সর্বজ্ঞ – তোমার brain এর সমকক্ষ কি কিছু হতে পারে। আর সৃষ্টির সূচনা থেকে সবই তো তোমার স্মৃতিতে- তুমি তো জানো এই পৃথিবী যুগে-যুগে কত biased ছিল বা আজও আছে । গরিবের ওপর পয়সাওলা-দের, অসহায়ের ওপর ক্ষমতাওলা-দের, নিরীহের ওপর পাশবিক মানুষের কত অত্যাচার হয়ে চলেছে । আর tools – সব দেবতাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতাশীল অস্ত্র দিয়েই তো তোমাকে পাঠানো হয়েছিল অসুর নিধন করতে। তবে তুমি কি পারোনা পৃথিবীর অসুর-দের, আসুরিক প্রবৃত্তিকে শেষ করতে! ধর্মের অর্থ বা কি – যদি না সে সত্যকেই প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। যদি সত্য না ন্যায় বলে কিছুই না থাকে, সবই যদি শুধুই perception হয়, তাহলে তো মগের মুলুক । আর যদি সত্য বা ধর্ম বলে কিছু থাকে তাহলে সে তো যুগের মুখাপেক্ষী নয়। যুগকেই সত্যকে আশ্রয় করতে হয় । তবে ক্ষমতাশীল দের হাতে সত্য আজও কেন নত – সে সমাজে হোক, organization-এ হোক আর দেশে বা রাষ্ট্রেই হোক ।
কিছুদিন আগে আমাকে আমার এক দিদি একটা কথা বলে ছিল – আমরা আমেরিকা কি বাংলার গোটা কয়েক নেতা-নেত্রীকে যতই গালা-গালি দি-ই না কেন, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই যেমন মায়া-মমতা আছে তেমন আছে triumph-এর তীব্র ইচ্ছা – কথাটা ধ্রুব সত্য বলে মনে হয় আমার। সুযোগ পেলেই কাজে লাগাই, সে যেখানেই হোক – পরিবার, সমাজ, কাজের জায়গা,দেশ বা রাষ্ট্রে। In other words, যেই লঙ্কায় যাই সেই রাবণ। তাই মা, আজ আর মন্দির বা প্যান্ডেল-এ বন্দি না থেকে agentic হয়ে এসো। ধাপে-ধাপে সত্যের প্রতিষ্ঠা-ই তো সভ্যতার অগ্রগতি আর সেই জন্যই তোমার কাছে এই কাতর ভিক্ষা মা । হোক না বিজ্ঞানের ব্যাপক উন্নতি কিন্তু মনুষ্যত্বের ক্রমবিকাশ-ও সমান হারে হোক। এত বড়ো পৃথিবীতে কিছু বৈষম্য তো থাকবেই কিন্তু এত বিশাল সংকীর্ণতা কেন? বরং চিন্তার বিশাল বিস্তার হোক। selfish gene-এর অধিকারী মানুষ-এ ‘আমি’ তো থাকবেই তবে ‘আমরা’র এতো অভাব কেন? এই অভাব পূর্ণ হলেই না সমগ্র সভ্যতার অগ্রগতি। তা না হলে অনেকটা কলকাতার বাসের কন্ডাক্টর-রা যেমন ভীড় বাস-এ passenger-দের বলে – আরে, পেছন-টা তো ফাঁকা আছে, একটু এগিয়ে যান না।তেমন ভাবে পেছন দিকে এগিয়ে যাবো আমরা। বাইরের নেশালু, ধোঁয়াটে, মায়াবী দুনিয়ায় বুঝতেই পারবো না কোন দিকে যাচ্ছি। তোমার agentic-রূপ তাই আজ বড়ো দরকার মা।
Oh sorry! এই দেখো, জিজ্ঞেস করাই হয়নি তুমি কেমন আছো মা।নিজের দাবী-দাওয়া-ই শুধু পেশ করে চলেছি। আর হ্যাঁ, যদি বলো শুধু ভাট না বকে আমি নিজে কিছু করে দেখাই নি কেন, at least চেষ্টা টাও করিনি কেন – সে না হয় আর এক দিন বলবো তোমায়। তবে, in short, সেই যে বড়ো বড়ো লঙ্কা-ধারী রাবণ যে আছে মা, তাদের কাবু করা কি মুখের কথা। তবে হাল ছাড়ছি না, শুধু সাথে থেকো। Be in touch।
ভালো থেকো মা !- সুমন কুমার চন্দ্র















Comments »
No comments yet.
RSS feed for comments on this post. TrackBack URL
Leave a comment